শনিবার , ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রিয়তমা সাজেক -জিয়াউল হক

সাজেক! স্বপ্নের সাজেক!!
আমার প্রিয়তমা সাজেক!!!
বাংলাদেশের প্রিয়মুখ সাজেক!!!!
প্রথম যেদিন এ নামটি শুনেছি
তার অপরূপ রূপের বর্ণনা শুনেছি
সেদিনই আমার হৃদয়ের গভীর অলিন্দে
ভালোলাগার কোমল অনুভূতি দোলা দিয়ে গেছে।
যখন আমি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়তাম তখন
সপ্তম শ্রেণির এক মেয়েকে আমার ভীষণ ভালো লাগতো।
তার কথা ভেবে কত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি
ঘুমের মাঝে কতবার যে তার স্বপ্ন দেখেছি
তার কোন ইয়ত্তা নেই।
কৈশোরের হৃদয় মাতাল করা উদ্দাম ভালোবাসার মতো
আমি আবার সাজেককে ভালোবেসে ফেলেছি।
আজ আমি প্রিয়তমা সাজেক ভ্রমনে যাচ্ছি চাঁদের গাড়িতে।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ।
পথের একদিনে উঁচু পাহাড়
আর অন্যদিকে গভীর খাদ
একটু এদিক সেদিক হলেই গাড়ি আছড়ে পড়বে গভীর খাদে।
গাড়ি কখনো খাড়া উপরে উঠছে
আবার কখনোবা অনেক নিচে
ভয়ে বুকের ভেতর ধুমধুক করছে।
তাইতো শক্ত হাতে গাড়ির সিট ধরে বসে আছি।
আমরা এগিয়ে যাচ্ছি প্রিয়তমা সাজেক অভিমুখে।
আস্তে আস্তে দৃশ্যপট পালটে যেতে শুরু করেছে,
অপার মুগ্ধতায় রাস্তার দুধারের দৃশ্য দেখছি।
পাহাড়ের প্রতিটা বাঁকে যেন নতুন সৌন্দর্য উন্মোচিত হচ্ছে।
যেন পূর্ণযৌবনা সাজেক নিজের দেহাবরণ উন্মোচন করে
তার রূপ যৌবন প্রদর্শন করছে।
আমরা অনেক উচ্চতায় চলে এসেছি
আকাশকে খুব কাছাকাছি মনে হচ্ছে
আমাদের আশেপাশে স্বেত শুভ্র মেঘমালা খেলা করছে
আমরা প্রিয়তমা সাজেকে চলে এসেছি।
আমি স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি
অসীম নীল আকাশ
শুভ্র সাদা মেঘ
মৌন পাহাড়
দিগন্ত বিস্তৃত চির সবুজ উপত্যকা।
এইতো আমার প্রিয়তমা
আমার প্রিয়তমা সাজেক।